Saturday, February 20, 2016
Thursday, February 18, 2016
সম্পদশালীর সংখ্যা মাত্র ১১ হাজার!
সম্পদশালীর সংখ্যা মাত্র ১১ হাজার!
দেশে সম্পদশালীর সংখ্যা মাত্র ১১ হাজার। ২ কোটি থেকে ৩০ কোটি টাকা সম্পদের মালিক এসব বিত্তবানের কাছ থেকে গত কর বর্ষে আদায় হয়েছে ২৫৪ কোটি টাকা। আয়কর বিভাগের হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে দেশে ২ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন ৭৭৯ জন। এদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কর আদায় করা হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা। তবে প্রায় ১৬ কোটি জনসংখ্যার এ দেশে ২ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিকদের এমন সংখ্যায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন খোদ আয়কর কর্মকর্তারাই। সঠিকভাবে কর দিলে এ সংখ্যা বহুগুণ বাড়তে পারে বলে তারা দাবি করেছেন।
‘সারচার্জ’ বা ‘সম্পদ কর’ আরোপের পর গত ২ কর বর্ষে বিত্তশালীদের কাছ থেকে কর আদায় বাড়ছে। ব্যক্তির সম্পদের ভিত্তি মূল্যের ওপর এ কর আদায় করা হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিত্তশালীদের কাছ থেকে বেশি কর আদায়ের জন্য ৪টি স্তরে সারচার্জ আরোপ করা হয়। ২ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ১০ কোটি টাকার কম সম্পদশালীর জন্য নির্ধারিত করের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ সারচার্জ হিসেবে ধার্য করা হয়। একইভাবে ১০ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ২০ কোটি টাকার কম সম্পদশালীদের জন্য ১৫ শতাংশ, ২০ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ৩০ কোটি টাকার কম সম্পদশালীদের জন্য ২০ শতাংশ, ৩০ কোটি টাকার বেশি সম্পদশালীদের জন্য ২৫ শতাংশ সারচার্জ নির্ধারণ করা হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সারচার্জ দিয়েছেন ১০ হাজার ৯৩১ জন। এদের কাছ থেকে নির্ধারিত করের অতিরিক্ত কর আদায় করা হয়েছে ২৫৪ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে সারচার্জ দিয়েছিলেন ১০ হাজার ১৫২ জন। আদায় হয়েছিল ২০৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত এক বছরে ২ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন ৭৭৯ জন। এদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কর আদায় করা হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা।
এদের মধ্যে কর অঞ্চল-৫ এর অধিক্ষেত্রভুক্ত করদাতাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৮৫ জন সারচার্জ দিয়েছেন। এ কর অঞ্চলে করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ও এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এরপরেই রয়েছে কর অঞ্চল-৬ এর করদাতারা। সারচার্জ দিয়েছেন ৭৫৬ জন। এ কর অঞ্চলে করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন ধানমণ্ডি, ঝিগাতলা, কলাবাগান, পান্থপথের বাড়িওয়ালা এবং বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কর অঞ্চল-২ এর করদাতারা। এই কর অঞ্চলে ৭২২ জন করদাতা সারচার্জ দিয়েছেন। এ কর অঞ্চলে করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন গার্মেন্টের পরিচালক ও পুরান ঢাকার বাসিন্দারা।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় সারচার্জ দিয়েছেন ৭ হাজার ৭৪৪ জন, চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭৪৮, খুলনায় ৩০৬, রাজশাহীতে ৯০, বরিশালে ৮৬, সিলেটে ২৩৪, নারায়ণগঞ্জে ১৮৪, গাজীপুরে ৯৬, কুমিল্লায় ২৫৫, ময়মনসিংহে ৭০ ও বগুড়ায় ৮১ জন। আর সবচেয়ে কম সারচার্জ দিয়েছেন রংপুরের বাসিন্দারা। মাত্র ৬৭ জন।
গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের আয়কর রিটার্নের সঙ্গে জমা দেয়া সম্পদ বিবরণীর তথ্য থেকে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও চলতি কর বর্ষে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল।
এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাদের মতে, কর কর্মকর্তার স্বল্পতা ও আইনি দুর্বলতার কারণে সঠিকভাবে সারচার্জ করা সম্ভব হচ্ছে না। সারচার্জ আদায় করা হয় সম্পদের ভিত্তি মূল্যের ওপর। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি ১০ বছর আগে একটি বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট যে দামে কিনেছিলেন সেই মূল্যের ওপর সারচার্জ দেবে। আবার বর্তমানে যে সব বাড়ি-ফ্ল্যাট-জমি কেনাবেচা হচ্ছে তা থেকেও যথাযথভাবে সারচার্জ পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ এসবের নিবন্ধনের সময় প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম মূল্য দেখানো হয়। এক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, ডেসকোসহ সরকারি সেবা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে সেবার নেয়ার আগে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র জমা দেয়ার বিধান বাধ্যতামূলক করলে কর ফাঁকি অনেকাংশে কমবে। সারচার্জ আদায় বাড়াতে সরকারি সব সংস্থাকে একত্রে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন তারা।
অর্থনীতিবিদ ও পলিসি রিসার্স ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুরের মতে, সারচার্জ আদায় বহুগুণ বেড়ে যাবে যদি বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী সম্পদের দর নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া অনলাইনে ভূমি ও গাড়ি রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হলে সারচার্জ আদায় বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদের মতে, অর্থনীতির আকার অনুযায়ী সারচার্জ আদায়ের হার নগণ্য। অনেক সম্পদশালী করের আওতার বাইরে রয়েছেন। আবার যারা কর দিচ্ছেন তারাও সঠিকভাবে সম্পদের হিসাব দিচ্ছেন না। সারচার্জ আদায় বাড়াতে খাতভিত্তিক মনিটরিং বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
‘সারচার্জ’ বা ‘সম্পদ কর’ আরোপের পর গত ২ কর বর্ষে বিত্তশালীদের কাছ থেকে কর আদায় বাড়ছে। ব্যক্তির সম্পদের ভিত্তি মূল্যের ওপর এ কর আদায় করা হয়। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বিত্তশালীদের কাছ থেকে বেশি কর আদায়ের জন্য ৪টি স্তরে সারচার্জ আরোপ করা হয়। ২ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ১০ কোটি টাকার কম সম্পদশালীর জন্য নির্ধারিত করের অতিরিক্ত ১০ শতাংশ সারচার্জ হিসেবে ধার্য করা হয়। একইভাবে ১০ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ২০ কোটি টাকার কম সম্পদশালীদের জন্য ১৫ শতাংশ, ২০ কোটি টাকার বেশি কিন্তু ৩০ কোটি টাকার কম সম্পদশালীদের জন্য ২০ শতাংশ, ৩০ কোটি টাকার বেশি সম্পদশালীদের জন্য ২৫ শতাংশ সারচার্জ নির্ধারণ করা হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে সারচার্জ দিয়েছেন ১০ হাজার ৯৩১ জন। এদের কাছ থেকে নির্ধারিত করের অতিরিক্ত কর আদায় করা হয়েছে ২৫৪ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে সারচার্জ দিয়েছিলেন ১০ হাজার ১৫২ জন। আদায় হয়েছিল ২০৮ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত এক বছরে ২ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক হয়েছেন ৭৭৯ জন। এদের কাছ থেকে অতিরিক্ত কর আদায় করা হয়েছে ৪৬ কোটি টাকা।
এদের মধ্যে কর অঞ্চল-৫ এর অধিক্ষেত্রভুক্ত করদাতাদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৮৫ জন সারচার্জ দিয়েছেন। এ কর অঞ্চলে করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির ও এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এরপরেই রয়েছে কর অঞ্চল-৬ এর করদাতারা। সারচার্জ দিয়েছেন ৭৫৬ জন। এ কর অঞ্চলে করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন ধানমণ্ডি, ঝিগাতলা, কলাবাগান, পান্থপথের বাড়িওয়ালা এবং বেসরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কর অঞ্চল-২ এর করদাতারা। এই কর অঞ্চলে ৭২২ জন করদাতা সারচার্জ দিয়েছেন। এ কর অঞ্চলে করদাতা হিসেবে নিবন্ধিত রয়েছেন গার্মেন্টের পরিচালক ও পুরান ঢাকার বাসিন্দারা।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় সারচার্জ দিয়েছেন ৭ হাজার ৭৪৪ জন, চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭৪৮, খুলনায় ৩০৬, রাজশাহীতে ৯০, বরিশালে ৮৬, সিলেটে ২৩৪, নারায়ণগঞ্জে ১৮৪, গাজীপুরে ৯৬, কুমিল্লায় ২৫৫, ময়মনসিংহে ৭০ ও বগুড়ায় ৮১ জন। আর সবচেয়ে কম সারচার্জ দিয়েছেন রংপুরের বাসিন্দারা। মাত্র ৬৭ জন।
গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের আয়কর রিটার্নের সঙ্গে জমা দেয়া সম্পদ বিবরণীর তথ্য থেকে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও চলতি কর বর্ষে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল।
এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাদের মতে, কর কর্মকর্তার স্বল্পতা ও আইনি দুর্বলতার কারণে সঠিকভাবে সারচার্জ করা সম্ভব হচ্ছে না। সারচার্জ আদায় করা হয় সম্পদের ভিত্তি মূল্যের ওপর। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি ১০ বছর আগে একটি বাড়ি অথবা ফ্ল্যাট যে দামে কিনেছিলেন সেই মূল্যের ওপর সারচার্জ দেবে। আবার বর্তমানে যে সব বাড়ি-ফ্ল্যাট-জমি কেনাবেচা হচ্ছে তা থেকেও যথাযথভাবে সারচার্জ পাওয়া যাচ্ছে না। কারণ এসবের নিবন্ধনের সময় প্রকৃত মূল্যের চেয়ে কম মূল্য দেখানো হয়। এক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা, ডেসকোসহ সরকারি সেবা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে সেবার নেয়ার আগে আয়কর রিটার্নের প্রাপ্তি স্বীকারপত্র জমা দেয়ার বিধান বাধ্যতামূলক করলে কর ফাঁকি অনেকাংশে কমবে। সারচার্জ আদায় বাড়াতে সরকারি সব সংস্থাকে একত্রে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন তারা।
অর্থনীতিবিদ ও পলিসি রিসার্স ইন্সটিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুরের মতে, সারচার্জ আদায় বহুগুণ বেড়ে যাবে যদি বর্তমান বাজার মূল্য অনুযায়ী সম্পদের দর নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া অনলাইনে ভূমি ও গাড়ি রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক হলে সারচার্জ আদায় বাড়বে বলে মনে করেন তিনি।
এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মজিদের মতে, অর্থনীতির আকার অনুযায়ী সারচার্জ আদায়ের হার নগণ্য। অনেক সম্পদশালী করের আওতার বাইরে রয়েছেন। আবার যারা কর দিচ্ছেন তারাও সঠিকভাবে সম্পদের হিসাব দিচ্ছেন না। সারচার্জ আদায় বাড়াতে খাতভিত্তিক মনিটরিং বাড়ানোর পরামর্শ দেন তিনি।
Monday, February 15, 2016
Friday, February 12, 2016
কোটিপতি শনাক্তে এবার জরিপ করবে এনবিআর
কোটিপতি শনাক্তে এবার জরিপ করবে এনবিআর
ব্যাংকগুলোতে জমা থাকা কিংবা আগাম অর্থের হিসেবে দেশে কোটিপতির সংখ্যা সোয়া ১ লাখ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেবে কোটিপতি সংখ্যা ৫৬ হাজারের একটু বেশি।
এবার দেশে কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা কত তার সঠিক সংখ্যা নির্ধারণে জরিপ করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে ঢাক-ঢোল না পিটিয়ে অনেকটা ভিন্ন কৌশলে জরিপের প্রক্রিয়াগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এনবিআরের ঊর্ধ্বতন সূত্র রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে প্রত্যেক ইউনিয়নে গিয়ে কোটিপতিদের শনাক্ত করবে প্রতিষ্ঠানটি। সেক্ষেত্রে স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পদের হিসাব বিবেচনায় নিয়েই কোটিপতির হিসাব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কোটিপতির সঠিক সংখ্যা হিসাব করে তাদেরকে করের আওতায় আনা হবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের বক্তব্যেও এমন তথ্য উঠে এসেছে। রাইজিংবিডিকে তিনি বলেন, ‘এনবিআর এ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আমরা বহুদূর এগিয়েছি। তবে আমরা কৌশলগত পদক্ষেপ নিচ্ছি। বেশ কয়েকটি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা লাগবে। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। যথা সময়ে আপনাদের জানানো হবে।’
এটাকে ঠিক জরিপ না বলে অনুসন্ধান বলতে পারেন, উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি নিজের উদ্যোগে কাজ করি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দিয়েছেন দেশকে স্বাবলম্বি করতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।’
এ দিকে চলতি সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, অর্থমন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরকে জরিপ করে কোটিপতি শনাক্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকল নির্দেশনায় এনবিআরকে কোটিপতিদের সঠিক সংখ্যা শনাক্ত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শনাক্তের পর কোটিপতিদের আয়করের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে এনবিআরে পাঠানো নির্দেশনায়।
গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রশ্নের উত্তরে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কোটিপতির বিষয়ে বলেন, গত পাঁচ বছরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৬ হাজার। ব্যাংকগুলোতে জমা থাকা এবং আগাম অর্থের হিসাবে দেশে কোটিপতির বর্তমান সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬৫ জন। তবে ব্যক্তি পর্যায়ে করদাতা মাত্র ১৭ লাখ ৫১ হাজার ৫০৩ জন।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্রে জানা যায়, ব্যাংক হিসাবধারী হিসেবে দেশে কোটিপতি রয়েছে ৫৬ হাজার ২৪৫ জন ব্যাক্তি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে এসব ব্যাংক একাউন্টে কোটি টাকার উপর স্থিতি ছিল।
কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছে মাত্র ৬ হাজার ১৭৫ জন কোটিপতি। অফিসিয়াল হিসেবেই প্রায় ৫০ হাজার কোটিপতি আয়কর রিটার্ন জমা দেয় না কিংবা আয়কর দেয় না।
ব্যাক্তি শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়-সীমা ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর শেষ হয়। এ সময়ে সারা দেশে এনবিআরের কর অফিসগুলোতে জমা পড়া আয়কর রিটার্নে ১ কোটি টাকার উপর সম্পদ দেখিয়েছে মাত্র ৬ হাজার ১৭৫ জন করদাতা।
এনবিআর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে দেখা যায়, ২০১১ করবর্ষে সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী চূড়ান্ত হিসাবে ২ কোটি টাকার ওপরে সম্পদ আছে এমন করদাতার সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩০৩ জন। যেখানে ২০১২ সালে ৪ হাজার ৮৬৫ জন, ২০১৩ সালে ছিল ৫ হাজার ১৪৫ জন এবং ২০১৪ সালে ওই সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের কিছু বেশি।
বিষয়টি অনেকটা অপ্রত্যাশিত বলেছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এটা অপ্রত্যাশিত যে এত কম সংখ্যক ব্যাক্তি কোটি টাকার উপর সম্পদ দেখিয়েছেন। সঠিক হারে আয়কর দিয়ে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। যে সকল কোটিপতি আয়কর ফাঁকি দিচ্ছে তাদের জন্য অগ্রীম বার্তা হলো কর দাও নিশ্চিন্ত থাক। তা না হলে এনবিআর কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
গত নভেম্বরে শেষ হওয়া সময়ে ৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৯৪ জন করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। এর বিপরীতে আয়কর জমা পড়েছে ১ হাজার ৫৩৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। তবে ২ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৮ জন করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন।
এবার দেশে কোটিপতির প্রকৃত সংখ্যা কত তার সঠিক সংখ্যা নির্ধারণে জরিপ করতে যাচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে ঢাক-ঢোল না পিটিয়ে অনেকটা ভিন্ন কৌশলে জরিপের প্রক্রিয়াগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এনবিআরের ঊর্ধ্বতন সূত্র রাইজিংবিডিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্র জানায়, সিটি করপোরেশন থেকে শুরু করে প্রত্যেক ইউনিয়নে গিয়ে কোটিপতিদের শনাক্ত করবে প্রতিষ্ঠানটি। সেক্ষেত্রে স্থাবর-অস্থাবর সকল সম্পদের হিসাব বিবেচনায় নিয়েই কোটিপতির হিসাব করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কোটিপতির সঠিক সংখ্যা হিসাব করে তাদেরকে করের আওতায় আনা হবে।
এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমানের বক্তব্যেও এমন তথ্য উঠে এসেছে। রাইজিংবিডিকে তিনি বলেন, ‘এনবিআর এ বিষয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে আমরা বহুদূর এগিয়েছি। তবে আমরা কৌশলগত পদক্ষেপ নিচ্ছি। বেশ কয়েকটি কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা লাগবে। তারা আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। যথা সময়ে আপনাদের জানানো হবে।’
এটাকে ঠিক জরিপ না বলে অনুসন্ধান বলতে পারেন, উল্লেখ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি নিজের উদ্যোগে কাজ করি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দিয়েছেন দেশকে স্বাবলম্বি করতে হবে। আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছি।’
এ দিকে চলতি সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর দফতর, অর্থমন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরকে জরিপ করে কোটিপতি শনাক্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকল নির্দেশনায় এনবিআরকে কোটিপতিদের সঠিক সংখ্যা শনাক্ত করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শনাক্তের পর কোটিপতিদের আয়করের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে এনবিআরে পাঠানো নির্দেশনায়।
গত ২৫ জানুয়ারি এক প্রশ্নের উত্তরে জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কোটিপতির বিষয়ে বলেন, গত পাঁচ বছরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৩৬ হাজার। ব্যাংকগুলোতে জমা থাকা এবং আগাম অর্থের হিসাবে দেশে কোটিপতির বর্তমান সংখ্যা ১ লাখ ১৪ হাজার ২৬৫ জন। তবে ব্যক্তি পর্যায়ে করদাতা মাত্র ১৭ লাখ ৫১ হাজার ৫০৩ জন।
অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্রে জানা যায়, ব্যাংক হিসাবধারী হিসেবে দেশে কোটিপতি রয়েছে ৫৬ হাজার ২৪৫ জন ব্যাক্তি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাবে এসব ব্যাংক একাউন্টে কোটি টাকার উপর স্থিতি ছিল।
কিন্তু ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছে মাত্র ৬ হাজার ১৭৫ জন কোটিপতি। অফিসিয়াল হিসেবেই প্রায় ৫০ হাজার কোটিপতি আয়কর রিটার্ন জমা দেয় না কিংবা আয়কর দেয় না।
ব্যাক্তি শ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়-সীমা ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর শেষ হয়। এ সময়ে সারা দেশে এনবিআরের কর অফিসগুলোতে জমা পড়া আয়কর রিটার্নে ১ কোটি টাকার উপর সম্পদ দেখিয়েছে মাত্র ৬ হাজার ১৭৫ জন করদাতা।
এনবিআর থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে দেখা যায়, ২০১১ করবর্ষে সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী চূড়ান্ত হিসাবে ২ কোটি টাকার ওপরে সম্পদ আছে এমন করদাতার সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৩০৩ জন। যেখানে ২০১২ সালে ৪ হাজার ৮৬৫ জন, ২০১৩ সালে ছিল ৫ হাজার ১৪৫ জন এবং ২০১৪ সালে ওই সংখ্যা ছিল ৫ হাজারের কিছু বেশি।
বিষয়টি অনেকটা অপ্রত্যাশিত বলেছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান। তিনি বলেন, এটা অপ্রত্যাশিত যে এত কম সংখ্যক ব্যাক্তি কোটি টাকার উপর সম্পদ দেখিয়েছেন। সঠিক হারে আয়কর দিয়ে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। যে সকল কোটিপতি আয়কর ফাঁকি দিচ্ছে তাদের জন্য অগ্রীম বার্তা হলো কর দাও নিশ্চিন্ত থাক। তা না হলে এনবিআর কঠোর পদক্ষেপ নেবে।
গত নভেম্বরে শেষ হওয়া সময়ে ৮ লাখ ১৫ হাজার ৮৯৪ জন করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। এর বিপরীতে আয়কর জমা পড়েছে ১ হাজার ৫৩৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। তবে ২ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৮ জন করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছিলেন।
Tuesday, February 9, 2016
২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের জন্য বাজেটে উত্থাপিত আয়কর আইনের প্রস্তাবিত পরিবরতনসমুহঃ
২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের জন্য বাজেটে উত্থাপিত আয়কর আইনের প্রস্তাবিত পরিবরতনসমুহঃ
ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রেঃ
১) ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ২,৫০,০০০ টাকা, তবে মহিলা ও ৬৫ বছরের বেশি পুরুষ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,০০,০০০ টাকা । প্রতিবন্ধী করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,৭৫,০০০ টাকা ও মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,২৫,০০০ টাকা ।
২) নগদ চিকিৎসা ভাতা মুল বেতনের ১০% / বার্ষিক ১,২০,০০০ টাকা যেটি কম সেটি পর্যন্ত করমুক্ত হবে ।
৩) নগদ বাড়িভাড়া ভাতা মুল বেতনের ৫০% / বার্ষিক ৩,০০,০০০ টাকা যেটি কম সেটি পর্যন্ত করমুক্ত হবে ।
৪) নিয়োগকর্তার থেকে গাড়ি সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে মুল বেতনের ৫% / বার্ষিক ৬০,০০০ এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বড় তা আয়ের সাথে যুক্ত হবে।
৫) গ্রাচ্যুয়িটি খাতের করমুক্ত আয়ের সীমা ২,৫০,০০০ টাকা নির্ধারণ ।
৬) তালিকাভুক্ত কম্পানির শেয়ার হতে প্রাপ্ত লভাংশ ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত হবে ।
৭) Equity Mutual Fund ও Fixed Mutual Fund এর আয় উভয় ক্ষেত্রে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত করমুক্ত হবে ।
৮) সরকারি, বেসরকারি সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতন,ভাতা, বোনাস ইত্যাদির উপর কর আরোপ হবে ।
৯) পেনশনার সঞ্চয়পত্র সহ সকল সঞ্চয়পত্রের সুদের উপর উৎসে কাটা ট্যাক্স চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হবে
১০) Workers Profit Participation Fund ক্ষেত্রে হতে শ্রমিকদের প্রাপ্ত অর্থ আয়কর মুক্ত থাকবে ।
১১) ওয়েজ আর্নার ডেভোলপমেন্ট বন্ডের সুদ সহ ৭ ধরনের বন্ডের সুদ করমুক্ত হবে ।
১২) লীজ দলিল ও পজেসন বিক্রয় দলিলকে মুলধনি মুনাফা করের আওতায় আনা ।
১৩) করযোগ্য আয়ের উপর প্রযোজ্য করহার সমুহ নিম্নরুপঃ
২৫০,০০০ টাকা বা ৩০০,০০০ টাকা বা ৩৭৫,০০০ টাকা বা ৪২৫,০০০ টাকার
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকার উপর ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকার উপর ১৫%
পরবর্তী ৬,০০,০০০ টাকার উপর ২০%
পরবর্তী ৩০,০০,০০০ টাকার উপর ২৫%
অবশিষ্ট টাকার উপর ৩০%
তবে করযোগ্য আয়ের পরিমান যাই হোক না কেন প্রত্যেক করদাতাকে নুন্নতম ৪,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে ।
২৫০,০০০ টাকা বা ৩০০,০০০ টাকা বা ৩৭৫,০০০ টাকা বা ৪২৫,০০০ টাকার
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকার উপর ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকার উপর ১৫%
পরবর্তী ৬,০০,০০০ টাকার উপর ২০%
পরবর্তী ৩০,০০,০০০ টাকার উপর ২৫%
অবশিষ্ট টাকার উপর ৩০%
তবে করযোগ্য আয়ের পরিমান যাই হোক না কেন প্রত্যেক করদাতাকে নুন্নতম ৪,০০০ টাকা ট্যাক্স দিতে হবে ।
১৪) কোন করদাতার নিট সম্পদ যদি ২ কটি ২৫ লক্ষ টাকার বেশি হয় তবে তাকে নুন্নতম ৩,০০০ টাকা সারচার্জ দিতে হবে, সারচার্জের অন্যান্য হার আগের মতই বহাল থাকবে ।
১৫) সকল করদাতার আয় বর্ষ হবে জুলাই টু জুন ।
১৬) বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে কোন কোং তে পরিচালক হবার জন্য টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক না করা ।
১৭) ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে সন্তান ভর্তির ক্ষেত্রে পিতা/মাতা/অভিবাবকের ১২ ডিজিটের টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক ।
১৮) সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি (ধারা ৮২বিবি) কর নির্ধারণ পদ্ধতিতে দাখিল করা রিটার্নের ক্ষেত্রে Scrutiny assessment এর বিধান সংযোজন করা।
১৯) রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ডিসিটি দ্বারা ২ মাস ও জয়েন্ট কমিশনার দ্বারা আরও ২ মাস পর্যন্ত বাড়ানো যাবে ।
অর্থ বিলে উল্লেখিত উপরোক্ত পরিবর্তন সমুহ সংসদে আর্থ আইন আকারে পাশ হবার পর তা কার্যকর হবে অন্যথাই আগের বিধান গুলোই বলবৎ থাকবে ।
উপ-কর কমিশনার কেন ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট এর সময় প্রকৃত খরচও disallow/ বাদ করে দেয়?
উপ-কর কমিশনার কেন ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট এর সময় প্রকৃত খরচও disallow/ বাদ করে দেয়?
১) বিলের অর্থ পরিশোধের সময় আইন অনুসারে উৎসে ট্যাক্স ও ভ্যাট কর্তন না করা ও জমা দেয়া না হলে।
২) কর্মচারীদেরকে বেতন প্রদানের সময় আইন অনুসারে উৎসে ট্যাক্স কর্তন না করা হলে ।
৩) মাসিক ১৫,০০০ টাঁকার বেশি বেতন প্রাপ্তদের অ্যাকাউন্টপেয়ি চেক/ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা না হলে ।
৪) কর্মচারীদেরকে পারকুইজিট ৩৫০,০০০ টাকার অধিক প্রদান করা হলে যতটুকু বেশি প্রদান করা হবে ।
৫) কাউকে ৫০,০০০ টাঁকা বা তার বেশি প্রদানের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টপেয়ি চেক/ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া না হলে ।
৬) ইনসেন্টিভে বোনাসের পরিমান প্রদর্শিত নীট মুনাফার ১০% এর অধিক হলে যতটুকু অধিক হবে ।
৭) বিদেশ ভ্রমন খরচ প্রদর্শিত টাণওভারের ১% এর অধিক হলে যতটুকু অধিক হবে ।
৮) বাণিজ্যিক/বসবাসের উদ্দেশে ব্যাবহার করা বাড়িভাড়া অ্যাকাউন্টপেয়ি চেক/ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া না হলে ।
৯) রয়েলিটি, কারিগরি সেবা ফি ইত্যাদি প্রদানের পরিমান প্রদর্শিত নীট মুনাফার ৮% এর অধিক হলে ।
১০) কম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের কোন কমিশন বা ডিসকাউন্ট প্রদান করা হলে ।
১১) বাংলাদেশে নিবন্ধিত নয় এমন প্রতিস্টানের হেড অফিস বাবদ খরচ প্রদর্শিত নীট মুনাফার ১০% এর অধিক হলে যতটুকু অধিক হবে ।
১২) আপ্যায়ন, বিনোদনের জন্য বিদেশ ভ্রমন, বিজ্ঞাপন, ফ্রী পণ্য বিতরন ইত্যাদি খরচ নির্ধারিত সীমার অধিক হলে ।
২) কর্মচারীদেরকে বেতন প্রদানের সময় আইন অনুসারে উৎসে ট্যাক্স কর্তন না করা হলে ।
৩) মাসিক ১৫,০০০ টাঁকার বেশি বেতন প্রাপ্তদের অ্যাকাউন্টপেয়ি চেক/ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা না হলে ।
৪) কর্মচারীদেরকে পারকুইজিট ৩৫০,০০০ টাকার অধিক প্রদান করা হলে যতটুকু বেশি প্রদান করা হবে ।
৫) কাউকে ৫০,০০০ টাঁকা বা তার বেশি প্রদানের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টপেয়ি চেক/ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া না হলে ।
৬) ইনসেন্টিভে বোনাসের পরিমান প্রদর্শিত নীট মুনাফার ১০% এর অধিক হলে যতটুকু অধিক হবে ।
৭) বিদেশ ভ্রমন খরচ প্রদর্শিত টাণওভারের ১% এর অধিক হলে যতটুকু অধিক হবে ।
৮) বাণিজ্যিক/বসবাসের উদ্দেশে ব্যাবহার করা বাড়িভাড়া অ্যাকাউন্টপেয়ি চেক/ব্যাংকের মাধ্যমে দেয়া না হলে ।
৯) রয়েলিটি, কারিগরি সেবা ফি ইত্যাদি প্রদানের পরিমান প্রদর্শিত নীট মুনাফার ৮% এর অধিক হলে ।
১০) কম্পানির শেয়ারহোল্ডার পরিচালকদের কোন কমিশন বা ডিসকাউন্ট প্রদান করা হলে ।
১১) বাংলাদেশে নিবন্ধিত নয় এমন প্রতিস্টানের হেড অফিস বাবদ খরচ প্রদর্শিত নীট মুনাফার ১০% এর অধিক হলে যতটুকু অধিক হবে ।
১২) আপ্যায়ন, বিনোদনের জন্য বিদেশ ভ্রমন, বিজ্ঞাপন, ফ্রী পণ্য বিতরন ইত্যাদি খরচ নির্ধারিত সীমার অধিক হলে ।
পারকুইজিট কি?
পারকুইজিট কি?
কোন কোম্পানি তার কর্মচারীদের বেতন হিসাবে যে সমস্ত ভাতা ও সুবিধা সমুহ প্রদান করে তাহাই পারকুইজিট। যেমনঃ বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা, মহার্ঘ ভাতা, বাসস্হান সুবিধা, গাড়ী সুবিধা ইত্যাদি। অন্যভাবে বলা যায়, মুল বেতন, উৎসব বোনাস, ওভার টাইম, ইনসেন্টিভ বোনাস, বকেয়া ও অগ্রিম বেতন, ছুটি নগদায়ন, কর্মচারীদের বিভিন্ন তহবিলে জমাদানকৃত অর্থ ব্যতিত অন্য যা কিছু প্রদান করে তাহাই পারকুইজিট।
আয়কর আইন অনুযায়ি প্রতিটি কর্মচারীর জন্য অনুমদিত বার্ষিক পারকুইজিটের পরিমান ৩,৫০,০০০ টাকা । কোন চাকুরিদাতা কম্পানি যদি তার কর্মচারীদের ৩,৫০,০০০ টাকার অধিক পারকুইজিট প্রদান করে থাকে তাহলে ঐ কম্পানির ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট এর সময় DCT অতিরিক্ত প্রদানকৃত অর্থ disallow করবে । ফলে কম্পানির প্রদেয় করের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।
কোন কোম্পানি তার কর্মচারীদের বেতন হিসাবে যে সমস্ত ভাতা ও সুবিধা সমুহ প্রদান করে তাহাই পারকুইজিট। যেমনঃ বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা, যাতায়াত ভাতা, মহার্ঘ ভাতা, বাসস্হান সুবিধা, গাড়ী সুবিধা ইত্যাদি। অন্যভাবে বলা যায়, মুল বেতন, উৎসব বোনাস, ওভার টাইম, ইনসেন্টিভ বোনাস, বকেয়া ও অগ্রিম বেতন, ছুটি নগদায়ন, কর্মচারীদের বিভিন্ন তহবিলে জমাদানকৃত অর্থ ব্যতিত অন্য যা কিছু প্রদান করে তাহাই পারকুইজিট।
আয়কর আইন অনুযায়ি প্রতিটি কর্মচারীর জন্য অনুমদিত বার্ষিক পারকুইজিটের পরিমান ৩,৫০,০০০ টাকা । কোন চাকুরিদাতা কম্পানি যদি তার কর্মচারীদের ৩,৫০,০০০ টাকার অধিক পারকুইজিট প্রদান করে থাকে তাহলে ঐ কম্পানির ট্যাক্স অ্যাসেসমেন্ট এর সময় DCT অতিরিক্ত প্রদানকৃত অর্থ disallow করবে । ফলে কম্পানির প্রদেয় করের পরিমান বৃদ্ধি পাবে।
কোম্পানি করদাতাদের ক্ষেত্রে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের জন্য বাজেটে উত্থাপিত আয়করের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত উল্লেখযোগ্য বিষয়সমুহঃ
কোম্পানি করদাতাদের ক্ষেত্রে ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরের জন্য বাজেটে উত্থাপিত আয়করের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত উল্লেখযোগ্য বিষয়সমুহঃ
১) পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত সকল কম্পানির কর হার ২৫% এবং তালিকভুক্ত নয় এমন কম্পানির কর হার ৩৫% ।
২) পুঁজিবাজারে তালিকভুক্ত সকল ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্টানের কর হার ৪০% এবং তালিকভুক্ত নয় এমন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্টানের কর হার ৪২.৫%।
৩) মার্চেনট ব্যাংকের কর হার ৩৭.৫% এবং মোবাইল ও সিগারেট কম্পানির কর হার ৪৫% ।
৪) প্রিন্ট, ইলেকট্রন মিডিয়া ও অনলাইন মিডিয়া তে বিজ্ঞাপনের বিল হতে ৪% ট্যাক্স উৎসে কাটতে হবে ।
৫) ডেভোলপার কোং থেকে সাইনিং মানি ও ভাড়ার ক্ষতি পুরন বাবদ প্রদান ক্রিত অর্থের উপর ১৫% ট্যাক্স উৎসে কাটতে হবে ।
৬) বায়িং হাউসের কমিশনের উপর ১০% ট্যাক্স উৎসে কাটতে হবে যাহা চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হবে ।
৭) তৈরি পোশাক সহ সকল পণ্য রফতানির সময় রফতানি মুল্লের ১% ট্যাক্স উৎসে কর্তন করা হবে যাহা তাহার চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হবে ।
৮) প্রাইভেট সিকুরেটি সার্ভিস, জনবল সরবিরাহ, ক্লিনিং সার্ভিস, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি বিলের উপর ১.৫% অথবা কমিশনের উপর ১০% ট্যাক্স উৎসে কাটতে হবে ।
৯) যানবহন ভাড়া বিল ও প্রিন্টিং এর বিলের উপর ৩% ট্যাক্স উৎসে কাটতে হবে ।
১০) অনিবাসি করদাতাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে পৃথক পৃথক হারে ট্যাক্স উৎসে কাটতে হবে ।
১১) কম্পানি ও ফার্মের শেয়ার বাজার হতে অর্জিত মুনাফার উপর ১০% উৎসে কর কর্তন পত্যাহার করা হয়েছে ।
১২) আমদানিকৃত সফটওয়্যার এর উপর ১০ % অবচয় ভাতা অনুমোদন ।
১৩) গাড়ির ক্রয় মুল্লের ২৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত অবচয় সুবিধা প্রদান ।
১৪) কোম্পানি কতৃক কর্মচারীকে প্রদত্ত অতিরিক্ত পারকুইজিট এর সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা ।
১৫) কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ও অবণ্টিত মুনাফার ১০% সমপরিমাণ মুল্লের গাড়ি ক্রয়ের সুবিধা প্রদান।
১৬) লোকাল এলসির মাধ্যমে কম্পিউটার সামগ্রি, পাট, সুতা, তুলা ক্রয়ের ক্ষেত্রে উৎসে ট্যাক্স কর্তন প্রত্যাহার করা ।
১৭) মিথ্যা বা জাল অডিট রিপোর্ট দাখিলের জন্য করদাতাকে ১,০০,০০০ টাকা জরিমানা সহ কারাদণ্ড ও অর্থ দণ্ডের বিধান করা ।
১৮) ব্যবসায় ব্যবহৃত বিল্ডিং, প্লান্ট, মেশিনারিস ও অন্যান্য স্থায়ী সম্পদের উপর obsolescence allowance অনুমোদন করা ।
১৯) কর অবকাশ প্রাপ্ত শিল্পের তালিকায় টায়ার, গাড়ি, বাই সাইকেল ও ইট নির্মাণ শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
২০) ট্যাক্সটাইল ও পাটজাত দ্রব্য শিল্পের অর্জিত আয়ের উপর হ্রাসক্রীত ১৫% হারে কর আরোপ হবে জুন ২০১৯ সাল পর্যন্ত।
২১) পোল্ট্রি শিল্প, হাঁস মুরগি পালন, গবাদি পশুপালন সহ বিভিন্ন ধরনের আয়ের উপর প্রথম ১০,০০,০০০ টাকার উপর ৩%, পরবর্তী ২০,০০,০০০ টাকার উপর ১০% ও ৩০,০০,০০০ টাঁকার উপর ১৫% কর আরোপ ।
২২) ITES ও NTTN সেবা খাতের আয় ২০২৪ সাল পর্যন্ত করমুক্ত থাকবে ।
২৩) পূর্বে অব্যাহতি প্রাপ্ত ছিল এমন কিছু পণ্য এখন আমদানির সময় ২% ট্যাক্স উৎসে কর্তন করা হবে ।
২৪) সরকারি কারিকুলাম ও নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা হতে প্রাপ্ত আয় করমুক্ত থাকবে, তবে অন্যান্য আয়ের উপর কর আরপিত হবে ।
২৫) সিটি করপরেশন এলাকার বাহিরে সকল ফ্লাট বা দালান বিক্রের ক্ষেত্রে বর্গ মিটার প্রতি করহার হ্রাস করা হয়েছে ।
২৬) ব্যাংক,বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্টানের আয় বর্ষ হবে জানুয়ারী - ডিসেম্বর এবং অন্য সকল কম্পানিএর আয় বর্ষ হবে জুলাই -জুন ।
২৭) অনুমোদন বিহীন ভাবে কোন বিদেশি কোন প্রতিষ্টানে কাজ করলে ঐ প্রতিষ্টানের আরপিত আয়করের উপর অতিরিক্ত আয়কর আরপ করা হবে এবং ঐ প্রতিষ্টানের কর অবকাশ সংক্রান্ত সকল সুবিধা বাতিল করা সহ দোষীদের অর্থ দণ্ড ও কারা দণ্ড আরোপ করা হবে ।
২৮) বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে ব্যবসায়রত নিবন্ধিত কোন বিদেশি কোম্পানির পরিচালক হবার জন্য টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক না করা ।
অর্থ বিলে উল্লেখিত উপরোক্ত পরিবর্তন সমুহ সংসদে আর্থ আইন আকারে পাশ হবার পর তা কার্যকর হবে অন্যথাই আগের বিধান গুলোই বলবৎ থাকবে ।
সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি (ধারা ৮২বিবি) কর নির্ধারণ পদ্ধতি:
সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি (ধারা ৮২বিবি) কর নির্ধারণ পদ্ধতি:
আয়কর নির্ধারণের বহুল ও জনপ্রিয় পদ্ধতি হল সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি পদ্ধতি । এই পদ্ধতিতে করদাতা নিজেই তার আয়কর রিটার্ন তৈরি ও কর নির্ধারণ করে থাকে। উপ কর কমিশনারকে কোন কর নিরধারন করতে হয়না, তিনি নিজে অথবা তার অনুমদিত কেউ শুধু এই রিটার্ন জমা নিয়ে থাকে । এটা অন লাইনেও জমা দেয়া যায় । এই রিটার্ন জমা দেবার পরে যে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ইস্যু করা হয় তাহাই ওই করদাতার উক্ত বসরের চূড়ান্ত কর নিরধারনি আদেশ হিসাবে গণ্য হয়। তবে, ওই রিটার্ন প্রাপ্তির পরে কর করতিপক্ষ উক্ত রিটার্নে আয় গননা, কর নিরধারন, কর রেয়াত ইত্যাদি নিরধারনে কোন গাণিতিক ভুল ত্রুটি হয়েছে কিনা তা যাচাই করবে এবং ভুল ধরা পরলে নতুন ভাবে তার আয় ও কর গননা করে ৩০ দিনের মধ্যে করদাতা বরাবর ডিমান্ড নোটিশ ইস্যু করবে ।
সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি রিটার্ন এ নীচের বিষয়গুলো থাকতে হবেঃ
সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি রিটার্ন এ নীচের বিষয়গুলো থাকতে হবেঃ
১) ওই রিটার্নটি নির্ধারিত ফরমে সঠিক তথ্য দ্বারা যথাযথ ভাবে পূরণ করা থাকতে হবে।
২) সঠিক ব্যক্তির দ্বারা যাচাই ও স্বাক্ষর করা থাকতে হবে।
৩) ওই রিটার্নটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহ জমা দেয়া থাকতে হবে।
৪) রিটার্ন অনুযায়ি নির্ধারিত ট্যাক্স জমাদেয়া থাকতে হবে ।
৫) রিটার্নে ১২ ডিজিটের টি আই এন নম্বর থাকতে হবে।
২) সঠিক ব্যক্তির দ্বারা যাচাই ও স্বাক্ষর করা থাকতে হবে।
৩) ওই রিটার্নটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহ জমা দেয়া থাকতে হবে।
৪) রিটার্ন অনুযায়ি নির্ধারিত ট্যাক্স জমাদেয়া থাকতে হবে ।
৫) রিটার্নে ১২ ডিজিটের টি আই এন নম্বর থাকতে হবে।
তবে, উক্ত রিটার্ন এর মধ্যে থেকে প্রতি বৎসর বোর্ডের নির্ধারিত নির্দেশনার আলোকে (যেমনঃ আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্য না থাকলে, যেকোনো দাবীর সমর্থনে কাগজপত্র সংযুক্ত করা না থাকলে, ভুল তথ্য বা রিটার্নটি সঠিক ভাবে পুরন করা না হলে ইত্যাদি কারনে) কিছু রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হতে পারে, যে গুলো পরবর্তীতে ধারা ৮৩ বা ধারা ৮৪ অনুযায়ি পুনরাই কর নির্ধারণ করা হবে ।
শুনানির পরে কর নির্ধারণ (ধারা ৮৩) পদ্ধতি কি?
শুনানির পরে কর নির্ধারণ (ধারা ৮৩) পদ্ধতি কি?
যখন কোন করদাতা কোন কর বর্ষে তার আয়কর রিটার্ন সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি (ধারা ৮২বিবি) পদ্ধতিতে জমা না দিয়ে সাধারণ পদ্ধতিতে জমা দেয় তখন ঐ করদাতার জমা দেয়া রিটার্নের সমর্থনে উক্ত করদাতা বা তার অনুমোদিত প্রতিনিধির উপস্তিতিতে তার হিসাবের কাগজপত্র যাছাই বাছাই করে তার মোট আয় ও কর নির্ধারণ করাকে শুনানির পরে কর নির্ধারণ বা ধারা ৮৩ অনুসারে কর নির্ধারণ বলে।
এক্ষেত্রে, উপ-করকমিশনার কর মামলা শুনানির উদ্দেশে কোন নির্ধারিত তারিখে উক্ত করদাতা অথবা তার মনোনীত কাউকে রিটার্ন ও হিসাবের সমর্থনে সকল কাগজপত্র সহ কর অফিসে আসার জন্য নোটিশ জারি করবে । পরবর্তিতে, শুনানিতে সকল কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে উপ কর কমিশনার ঐ করদাতার জন্য নতুন করে মোট আয় ও তার উপর কর নির্ধারণ করবে যেটা লিখিত আদেশ হিসাবে শুনানি শেষ হবার ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত করদাতার নিকট প্রেরন করবে।
এক্ষেত্রে, উপ-করকমিশনার কর মামলা শুনানির উদ্দেশে কোন নির্ধারিত তারিখে উক্ত করদাতা অথবা তার মনোনীত কাউকে রিটার্ন ও হিসাবের সমর্থনে সকল কাগজপত্র সহ কর অফিসে আসার জন্য নোটিশ জারি করবে । পরবর্তিতে, শুনানিতে সকল কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে উপ কর কমিশনার ঐ করদাতার জন্য নতুন করে মোট আয় ও তার উপর কর নির্ধারণ করবে যেটা লিখিত আদেশ হিসাবে শুনানি শেষ হবার ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত করদাতার নিকট প্রেরন করবে।
২০১৪-১৫ আয়বর্ষে একজন ব্যক্তির বেতন খাতের আয়ের মধ্যে কতটুকো আয় করমুক্ত ও কতটুকো করযোগ্য ?
২০১৪-১৫ আয়বর্ষে একজন ব্যক্তির বেতন খাতের আয়ের মধ্যে কতটুকো আয় করমুক্ত ও কতটুকো করযোগ্য ?
i) মুল বেতন ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়
i) মুল বেতন ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়
ii) মহাঘ ভাতা ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়
iii) বিশেষ ভাতা ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়
iv) বাড়িভাড়া ভাতা ঃ মূল বেতনের ৫০% অথবা মাসিক ২৫,০০০ টাকা করে এই ২ এর মধ্যে যেটি ছোট সেই পরিমাণ করমুক্ত আয় এবং অবশিষ্ট অংশ করযোগ্য আয় ।
v) যাতায়াত ভাতা ঃ বার্ষিক ৩০,০০০ টাকা করমুক্ত আয় এবং অবশিষ্ট অংশ করযোগ্য আয় ।
vi) চিকিৎসা ভাতা ঃ মূল বেতনের ১০% অথবা বার্ষিক ১২০,০০০ টাকা এই ২ এর মধ্যে যেটি ছোট সেই পরিমাণ করমুক্ত আয় এবং অবশিষ্ট অংশ করযোগ্য আয় ।
vii) ঈদ বোনাস ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়।
viii) ইনসেন্টিভ ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়।
ix) প্রভিডেন্ড ফান্ড এ
নিয়োগ কর্তার দান ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়
নিয়োগ কর্তার দান ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয়
x) বাসস্তান সু্বিধা ঃ ভাড়া মূল্য অথবা মুল বেতনের ২৫% এই ২ এর মধ্যে যেটি ছোট সেই পরিমাণ করযোগ্য আয় ।
xi) গাড়ি সু্বিধা ঃ মুল বেতনের ৫% অথবা বার্ষিক ৬০,০০০ টাকা এই ২এর মধ্যে যেটি বড় সেটি করযোগ্য আয় ।
xii) অন্যান্য ভাতা ঃ সম্পূর্ণ অংশ করযোগ্য আয় ।
২০১৪-১৫ আয় বর্ষে কোন বাক্তির বাৎসরিক আয় কত টাকা হলে তাকে নুন্নতম কত টাকা আয়কর দিতে হয় ?
০১৪-১৫ আয় বর্ষে কোন বাক্তির বাৎসরিক আয় কত টাকা হলে তাকে নুন্নতম কত টাকা আয়কর দিতে হয় ?
২০১৪-১৫ আয় বর্ষে (বাংলাদেশ এ প্রচলিত আয় বর্ষ জুলাই – জুন) কোন ব্যক্তি করদাতার করযোগ্য আয় (মোট আয় - করমুক্ত আয়) যদি ২,৫০,০০০ টাকার বেশি হয় তবে তাকে আয়কর দিতে হবে । তবে মহিলা বা ৬৫ বৎসর এর বেশি পুরুশ করদাতার ক্ষেত্রে করযোগ্য আয় যদি ৩,০০,০০০ টাকার বেশি হয় তবে তাকে আয়কর জমা দিতে হবে । প্রতিবন্ধী করদাতাদের ক্ষেত্রে তাদের করযোগ্য আয় যদি ৩,৭৫,০০০ টাকার বেশি হয় এবং মুক্তিযোদ্ধা করদাতাদের ক্ষেত্রে তাদের করযোগ্য আয় যদি ৪,২৫,০০০ টাকার বেশি হয় তবে তাকে অবশ্যই আয়কর দিতে হবে ।
উপরোক্ত করযোগ্য আয়ের পরবর্তী অংশের উপর প্রযোজ্য করহার সমুহ নিম্নরুপঃ
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকার উপর ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকার উপর ১৫%
পরবর্তী ৬,০০,০০০ টাকার উপর ২০%
পরবর্তী ৩০,০০,০০০ টাকার উপর ২৫%
অবশিষ্ট টাকার উপর ৩০%
তবে করযোগ্য আয়ের পরিমান যাই হোক না কেন প্রত্যেক করদাতার নুন্নতম করের পরিমান নিম্নরুপঃ
১। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারীদের কমপক্ষে ৫,০০০ টাকা ।
২। অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারীদের কমপক্ষে ৪,০০০ টাকা ।
৩। সিটি কর্পোরেশন বেতিত অন্যান্য সকল এলাকায় বসবাসকারীদের কমপক্ষে ৩,০০০ টাকা
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকার উপর ১০%
পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকার উপর ১৫%
পরবর্তী ৬,০০,০০০ টাকার উপর ২০%
পরবর্তী ৩০,০০,০০০ টাকার উপর ২৫%
অবশিষ্ট টাকার উপর ৩০%
তবে করযোগ্য আয়ের পরিমান যাই হোক না কেন প্রত্যেক করদাতার নুন্নতম করের পরিমান নিম্নরুপঃ
১। ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারীদের কমপক্ষে ৫,০০০ টাকা ।
২। অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারীদের কমপক্ষে ৪,০০০ টাকা ।
৩। সিটি কর্পোরেশন বেতিত অন্যান্য সকল এলাকায় বসবাসকারীদের কমপক্ষে ৩,০০০ টাকা
আয়কর আইন আনুযায়ী কাদের জন্য প্রতি বৎসর আয়কর রিটারন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক?
আয়কর আইন আনুযায়ী কাদের জন্য প্রতি বৎসর আয়কর রিটারন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক?
আয়ের পরিমান যাই হোক না কেন নিম্নলিখিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্টানকে বাধ্যতামূলকভাবে প্রতি বৎসর আয়কর রিটারন জমা দিতে হবেঃ
১) ২০১৪-১৫ আয় বর্ষে যে ব্যক্তির করযোগ্য আয় (মোট আয় - করমুক্ত আয়) ২৫০,০০০ টাকার বেশি হবে।
২) আয় বর্ষের পূর্ববর্তী ০৩ বৎসর এর মধ্যে কোন এক বৎসরে যদি কারো করযোগ্য আয় নিরপিত হয়ে থাকে।
৩) সিটি কর্পোরেশন, বিভাগীয় শহর, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকাতে ব্যবসা পরিচালনা বা পেশাগত
কাজের জন্য কারো ট্রেড লইসেনস এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে ।
৪) সিটি কর্পোরেশন, বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এর পৌরসভা এবং অন্যান্য পৌরসভা এলাকয় বসবাসকারী
দের ক্ষেত্রেঃ
ক) একটি গাড়ির মালিক হলে ,
খ) ভ্যাট আইন এ নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্য হলে ।
৫) ডাক্তার, আইনজীবি, প্রকৌশলী বা সমজাতীয় যেকোনো পেশাতে নিয়জিত সকল ব্যক্তিবর্গকে।
৬) কোন ট্রেডে অ্যাসোসিয়েশান এর সকল সদস্যবৃন্দকে ।
৭) সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল পদ প্রারথিদের ।
৮) সরকারি, আধা সরকারি, সায়েত্তশাশিত বা স্থানীয় করতিপক্ষের ঠিকাদারী কাজে নিয়জিত কোন ব্যক্তি
বা প্রতিস্তানকে ।
৯) এনিজও ব্যুরোতে নিবন্ধিত সকল প্রতিষ্টানকে ।
১০) সকল লিমিটেড কোম্পানিকে ।
১) ২০১৪-১৫ আয় বর্ষে যে ব্যক্তির করযোগ্য আয় (মোট আয় - করমুক্ত আয়) ২৫০,০০০ টাকার বেশি হবে।
২) আয় বর্ষের পূর্ববর্তী ০৩ বৎসর এর মধ্যে কোন এক বৎসরে যদি কারো করযোগ্য আয় নিরপিত হয়ে থাকে।
৩) সিটি কর্পোরেশন, বিভাগীয় শহর, পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ এলাকাতে ব্যবসা পরিচালনা বা পেশাগত
কাজের জন্য কারো ট্রেড লইসেনস এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থাকলে ।
৪) সিটি কর্পোরেশন, বিভাগীয় শহর, জেলা শহর এর পৌরসভা এবং অন্যান্য পৌরসভা এলাকয় বসবাসকারী
দের ক্ষেত্রেঃ
ক) একটি গাড়ির মালিক হলে ,
খ) ভ্যাট আইন এ নিবন্ধিত কোন ক্লাবের সদস্য হলে ।
৫) ডাক্তার, আইনজীবি, প্রকৌশলী বা সমজাতীয় যেকোনো পেশাতে নিয়জিত সকল ব্যক্তিবর্গকে।
৬) কোন ট্রেডে অ্যাসোসিয়েশান এর সকল সদস্যবৃন্দকে ।
৭) সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল পদ প্রারথিদের ।
৮) সরকারি, আধা সরকারি, সায়েত্তশাশিত বা স্থানীয় করতিপক্ষের ঠিকাদারী কাজে নিয়জিত কোন ব্যক্তি
বা প্রতিস্তানকে ।
৯) এনিজও ব্যুরোতে নিবন্ধিত সকল প্রতিষ্টানকে ।
১০) সকল লিমিটেড কোম্পানিকে ।
ট্যাক্স রিবেট কি? ইহার সুবিধা কি ও কিভাবে তা নির্ধারণ করা হয়?
ট্যাক্স রিবেট কি? ইহার সুবিধা কি ও কিভাবে তা নির্ধারণ করা হয়?
সরকার করদাতাদের কিছু কিছু বিনিয়োগ এবং দানে উৎসাহিত করার জন্য ঐ সমস্ত বিনিয়োগ এবং দানের উপর ১৫% কর রেয়াত / কর ছাড় দিয়ে থাকে, আর এই বিনিয়োগ / দানের পরিমান ১,৫০,০০,০০ অথবা মোট করযোগ্য আয়ের ৩০% (provident funad a নিয়োগকরতার দান ব্যতিত) এই দুএর মধ্যে যেটি ছোট তার চেয়ে বেশি নয়। এই রেয়াত তার মোট প্রদেয় আয়কর হতে বাদ যাবে।
উধারন হিসাবে বলা যায়, ২০১৪-১৫ আয় বর্ষে একজন ব্যক্তি যদি মাসিক ৫০,০০০ টাকা বেতন এবং ২ ঈদ মিলে যদি ১ মাসের বেতনের সমপরিমাণ বোনাস পায় তবে তার বাৎসরিক করযোগ্য আয় হয় (সম্ভাব্য) ৪২২,০০০ এবং তার উপর প্রদেও আয়কর হয় ১৭,২০০ টাকা । এখন, ওই ব্যক্তি যদি ওই বৎসর এ সরবচ্চ বিনিয়োগ/ দান (সম্ভাব্য ১,২৬,৬০০ টাকা) করে থাকে তাহলে সে এর উপর সরবচ্চ রেয়াত সুবিধা নিতে পারে । এ ক্ষেত্রে শুধু রেয়াতের পরিমানই হয় ১৮,৯৯০। অর্থাৎ তার নেট প্রদেও আয়কর হয় ১৭,২০০ – ১৮,৯৯০ = (১,৭৯০)টাকা কিন্তু সরকারের নিয়ম অনুযায়ী কারো করযোগ্য আয় নিরপিত হলে তাকে কমপক্ষে ৫,০০০/৪,০০০/৩,০০০ টাকা কর দিতে হবে ।
বিনিয়োগয়ের উপর আয়কর রেয়াত এর পরিমাণ নির্ণয় করার নিয়ম হলঃ
১,৫০,০০,০০০ অথবা মোট করযোগ্য আয়ের ৩০% (provident funad a নিয়োগকরতার দান ব্যতিত) অথবা প্রকৃত বিনিয়োগ এই তিনটার মধ্যে যেটি ছোট তার উপর ১৫% এর সমপরিমাণ।
১,৫০,০০,০০০ অথবা মোট করযোগ্য আয়ের ৩০% (provident funad a নিয়োগকরতার দান ব্যতিত) অথবা প্রকৃত বিনিয়োগ এই তিনটার মধ্যে যেটি ছোট তার উপর ১৫% এর সমপরিমাণ।
আয়কর রেয়াত পাবার জন্য একজন ব্যক্তি করদাতার সরকার অনুমদিত বিনিয়োগ তালিকাঃ
আয়কর রেয়াত পাবার জন্য একজন ব্যক্তি করদাতার সরকার অনুমদিত বিনিয়োগ তালিকাঃ
১) জীবন বিমা প্রিমিয়াম প্রদান ( বিমা মুল্লের ১০% এর বেশি নয়) ।
২) যেকোনো তফসিল ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিস্তানে DPS এ জমা (সর্বমোট ৬০,০০০ টাকার বেশি নয়)।
৩) সঞ্চয়পত্র, বন্ড, ইউনিট সার্টিফিকেট, মিউচুয়াল ফান্ড সার্টিফিকেট, সরকারি সিকুরিটই ইত্যাদি ক্রয়। যাহা মেয়াদ উত্তিন্ন না হওয়া পর্যন্ত অথবা ক্রয়ের ৫ বছর পর্যন্ত বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবেনা ।
৪) স্টক এক্সচেঞ্জ এর তালিকাভুক্ত কোন কম্পানির শেয়ার, স্টক, ঋণপত্র, মিউচুয়াল ফান্ড ক্রয়।
৫) সরকারি ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ ।
৬) Recognized Providend fund a নিয়োগকরতা এবং কর্মচারীর মিলিত দান।
৭) সরকারি কর্মকর্তার Providend fund a দান ।
৮) করদাতা নিজের, তাঁর স্ত্রীর, ছেলেমেয়ে অথবা তাঁর উপর নির্ভরশীল কারো Group বিমা ও কল্যাণ তহবিল এ প্রদত্ত চাঁদা যাহা বার্ড কতৃক আনুমদিত ।
৯) সুপার আনুয়েসন ফান্ড এ প্রদত্ত চাঁদা।
১০) কোন ফার্ম হতে আনুপাতিক হাড়ে প্রাপ্ত আয় যাহার ঊপড় পূর্বেই ফার্ম থেকে কর প্রদান হয়েছে ।
১১) একটি কম্পিউটার বা একটি ল্যাপটপ ক্রয়।
আয়কর রেয়াত পাবার জন্য একজন ব্যক্তি করদাতার সরকার অনুমদিত দানের সম্ভাব্য তালিকাঃ
আয়কর রেয়াত পাবার জন্য একজন ব্যক্তি করদাতার সরকার অনুমদিত দানের সম্ভাব্য তালিকাঃ
১) যাকাত তহবিলে দান অথবা যাকাত ফান্ড অধ্যাদেশ অনুযায়ি প্রতিস্তিত কোন দাতব্য প্রতিস্তানে অনুদান প্রদান।
২) NBR কতৃক আনুমদিত কোন দাতব্য হাসপাতাল এ দান (যাহা সিটি কর্পোরেশন এলাকা্র বাহিরে অবস্তিত)।
৩) প্রতিবন্ধী কল্যাণে স্তাপিত অথবা অবসর প্রাপ্ত ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে এমন কোন প্রতিস্তানে দান যাহা সমাজসেবা অধিদফতর ও NBR কতৃক আনুমদিত।
৪) সরকার আনুমদিত কোন শিক্ষা প্রতিসটানে প্রদত্ত অনুদান ।
৫) মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষাথে প্রতিস্টিত জাতীয় পর্যায়ের কোন ইন্সটিটিউশনে এ অনুদান প্রদান ।
৬) আগা খান নেটওয়ার্কের আওতাই পরিচালিত বাংলাদেশে প্রতিস্টিত কোন আর্থ সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিস্তান অথবা কালচারাল উন্নয়নমুলক প্রতিসটানে প্রদত্ত অনুদান ।
৭) এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে NBR কতৃক আনুমদিত প্রতিস্তান সমমুহ যাহাদেরকে অনুদান প্রদান করলে আয়কর রেয়াত পাবার অনুমদন প্রদান করা হয়েছে ।
২) NBR কতৃক আনুমদিত কোন দাতব্য হাসপাতাল এ দান (যাহা সিটি কর্পোরেশন এলাকা্র বাহিরে অবস্তিত)।
৩) প্রতিবন্ধী কল্যাণে স্তাপিত অথবা অবসর প্রাপ্ত ব্যক্তিদের উন্নয়নে কাজ করে এমন কোন প্রতিস্তানে দান যাহা সমাজসেবা অধিদফতর ও NBR কতৃক আনুমদিত।
৪) সরকার আনুমদিত কোন শিক্ষা প্রতিসটানে প্রদত্ত অনুদান ।
৫) মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও জাতির জনকের স্মৃতি রক্ষাথে প্রতিস্টিত জাতীয় পর্যায়ের কোন ইন্সটিটিউশনে এ অনুদান প্রদান ।
৬) আগা খান নেটওয়ার্কের আওতাই পরিচালিত বাংলাদেশে প্রতিস্টিত কোন আর্থ সামাজিক উন্নয়নমূলক প্রতিস্তান অথবা কালচারাল উন্নয়নমুলক প্রতিসটানে প্রদত্ত অনুদান ।
৭) এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে NBR কতৃক আনুমদিত প্রতিস্তান সমমুহ যাহাদেরকে অনুদান প্রদান করলে আয়কর রেয়াত পাবার অনুমদন প্রদান করা হয়েছে ।
কোন কোন কাজের জন্য Tax Clearance Certificate / TIN Certificate প্রয়োজন হয় ?
কোন কোন কাজের জন্য Tax Clearance Certificate / TIN Certificate প্রয়োজন হয় ?
১) আমদানি রফতানির (IRC) লাইসেন্স পেতে ।
২) আমদানির জন্য L/C খুলতে ।
৩) সিটি কর্পোরেশন ও পৌরএলাকাতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
৪) জমি, দালান, ফ্ল্যাট ইত্যাদি ক্রয়ের রেজিস্ট্রেশান করতে (অনিবাসি করদাতাদের ক্ষেত্রে নয়) ।
৫) পণ্য বা সেবা সরবরাহ কাজের জন্য দরপত্র জমা দিতে ।
৬) গাড়ি রেজিস্ট্রেশান, মালিকানা পরিবরতন, ফিটনেস নবায়ন করতে ।
৭) ৫০০,০০০ টাঁকার উপরে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্টান হতে লোন নিতে ।
৮) ক্রেডিট কার্ড নিতে ।
৯) কোন পেশাদারি কাজের প্র্যাকটিস এর জন্য লাইসেন্স নিতে, যেমনঃ ডাক্তার, প্রকৌশলী, ইত্যাদি ।
১০) কোন কম্পানির শেয়ারহোল্ডার হতে হলে ।
১১) আইএসডি টেলিফোনে লাইন পেতে।
১২) বাণিজ্যিক কাজের জন্য গাস, বিদ্যুৎ এর লাইন পেতে ।
১৩) ড্রাগ লাইসেন্স পেতে ।
১৪) কোন ক্লাব এর সদস্য পদ পেতে ।
১৫) কোন ব্যবসায়িক সংগঠনের সদস্য পদ নবায়ন করতে ।
১৬) কোন দালান নির্মাণের প্লান অনুমদনের ক্ষেত্রে ।
১৭) নিকাহ রেজিস্ট্রেশান লাইসেন্স পেতে ।
১৮) জরিপ কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্টানের লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
১৯) বিমা সারভেয়ারদের লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
২০) বিমা কম্পানিএর এজেন্টদের সার্টিফিকেট নবায়ন করতে ।
২১) ইট ভাটার আনুমদন বা লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
২২) নির্বাচনের জন্য নমুনেশন পত্র জমা দিতে ।
২) আমদানির জন্য L/C খুলতে ।
৩) সিটি কর্পোরেশন ও পৌরএলাকাতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
৪) জমি, দালান, ফ্ল্যাট ইত্যাদি ক্রয়ের রেজিস্ট্রেশান করতে (অনিবাসি করদাতাদের ক্ষেত্রে নয়) ।
৫) পণ্য বা সেবা সরবরাহ কাজের জন্য দরপত্র জমা দিতে ।
৬) গাড়ি রেজিস্ট্রেশান, মালিকানা পরিবরতন, ফিটনেস নবায়ন করতে ।
৭) ৫০০,০০০ টাঁকার উপরে কোন ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্টান হতে লোন নিতে ।
৮) ক্রেডিট কার্ড নিতে ।
৯) কোন পেশাদারি কাজের প্র্যাকটিস এর জন্য লাইসেন্স নিতে, যেমনঃ ডাক্তার, প্রকৌশলী, ইত্যাদি ।
১০) কোন কম্পানির শেয়ারহোল্ডার হতে হলে ।
১১) আইএসডি টেলিফোনে লাইন পেতে।
১২) বাণিজ্যিক কাজের জন্য গাস, বিদ্যুৎ এর লাইন পেতে ।
১৩) ড্রাগ লাইসেন্স পেতে ।
১৪) কোন ক্লাব এর সদস্য পদ পেতে ।
১৫) কোন ব্যবসায়িক সংগঠনের সদস্য পদ নবায়ন করতে ।
১৬) কোন দালান নির্মাণের প্লান অনুমদনের ক্ষেত্রে ।
১৭) নিকাহ রেজিস্ট্রেশান লাইসেন্স পেতে ।
১৮) জরিপ কাজে নিয়োজিত প্রতিষ্টানের লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
১৯) বিমা সারভেয়ারদের লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
২০) বিমা কম্পানিএর এজেন্টদের সার্টিফিকেট নবায়ন করতে ।
২১) ইট ভাটার আনুমদন বা লাইসেন্স নবায়ন করতে ।
২২) নির্বাচনের জন্য নমুনেশন পত্র জমা দিতে ।
পণ্য সরবরাহ / ঠিকাদারি বিলের উপর উৎসে ট্যাক্স ও ভ্যট কর্তন এবং জমাদানের নিয়মঃ
পণ্য সরবরাহ / ঠিকাদারি বিলের উপর উৎসে ট্যাক্স ও ভ্যট কর্তন এবং জমাদানের নিয়মঃ
কোন প্রতিষ্টান যদি কোন সরবরাহকারীর নিকট হতে পণ্য ক্রয় অথবা কোন কাজের ঠিকা দেয় তাহলে আয়কর আইন অনুযায়ী তার বিল পরিশোধের সময় উক্ত বিলের উপর উৎসে ট্যাক্স ও ভ্যট কর্তন করতে হয় ও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয় । তাই প্রতি অর্থ বছরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তাদের নিকট হতে পণ্য ক্রয়ের হিসাব রাখার জন্য পৃথক পৃথক রেজিস্টার রাখতে হয় এবং নিম্নলিখিত নিয়ম অনুযায়ী বিল পরিশোধের সময় ট্যাক্স ও ভ্যট কর্তন করতে হয়ঃ
ট্যাক্স কর্তনের হার ও নিয়মঃ
১) প্রতিটি সরবরাহকারীর ওই অর্থ বছরে মোট বিলের পরিমান ২,০০,০০০ টাকা না হওয়া পর্যন্ত ০%
২) সর্বমোট বিলের পরিমান ২,০০,০০০ টাকা থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ১%
৩) সর্বমোট বিলের পরিমান ৫,০০,০০০ টাকা থেকে ১৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ২.৫%
৪) সর্বমোট বিলের পরিমান ১৫,০০,০০০ টাকা থেকে ২৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৩.৫%
৫) সর্বমোট বিলের পরিমান ২৫,০০,০০০ টাকা থেকে ৩,০০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৪%
৬) সর্বমোট বিলের পরিমান ৩,০০,০০,০০০ টাকার বেশি হলে ৫%
সকল ধরনের উৎসে টাক্স যে মাসে কাটা হবে তার পরবর্তী মাসের ২য় সপ্তাহের মধ্যে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে । তা নাহলে নির্ধারিত সময় শেষ হবার পর থেকে প্রতি মাসে ২% অতিরিক্ত ট্যাক্স ধার্য করা হবে এবং ট্যাক্স কর্তন না করার জন্য উক্ত কম্পানি ডিফল্ট করদাতা হিসাবে গণ্য হতে পারেন ।
ভ্যট কর্তনের হার ও নিয়মঃ
১) যে কোন পরিমাণ বিলের ঊপর উৎসে ৫% ভ্যট কর্তন করতে হবে এবং যে দিন কাটা হবে তার পরবর্তী ১৫ কর্ম দিবসের মধ্যে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে । তা নাহলে ভ্যাট করতিপক্ষ জরিমানা হিসাবে ২% সুদ ধার্য করতে পারে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তন করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া না হলে কর্তনকারী ব্যক্তি, জমাদানের দায়েত্ত থাকা ব্যক্তি এবং উক্ত কম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রত্যেককেই আলাদা আলাদা ভাবে অনধিক ২৫,০০০ টাকা ব্যক্তিগত জরিমানা আরোপ করা হতে পারে ।
ট্যাক্স কর্তনের হার ও নিয়মঃ
১) প্রতিটি সরবরাহকারীর ওই অর্থ বছরে মোট বিলের পরিমান ২,০০,০০০ টাকা না হওয়া পর্যন্ত ০%
২) সর্বমোট বিলের পরিমান ২,০০,০০০ টাকা থেকে ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ১%
৩) সর্বমোট বিলের পরিমান ৫,০০,০০০ টাকা থেকে ১৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ২.৫%
৪) সর্বমোট বিলের পরিমান ১৫,০০,০০০ টাকা থেকে ২৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৩.৫%
৫) সর্বমোট বিলের পরিমান ২৫,০০,০০০ টাকা থেকে ৩,০০,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত হলে ৪%
৬) সর্বমোট বিলের পরিমান ৩,০০,০০,০০০ টাকার বেশি হলে ৫%
সকল ধরনের উৎসে টাক্স যে মাসে কাটা হবে তার পরবর্তী মাসের ২য় সপ্তাহের মধ্যে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে । তা নাহলে নির্ধারিত সময় শেষ হবার পর থেকে প্রতি মাসে ২% অতিরিক্ত ট্যাক্স ধার্য করা হবে এবং ট্যাক্স কর্তন না করার জন্য উক্ত কম্পানি ডিফল্ট করদাতা হিসাবে গণ্য হতে পারেন ।
ভ্যট কর্তনের হার ও নিয়মঃ
১) যে কোন পরিমাণ বিলের ঊপর উৎসে ৫% ভ্যট কর্তন করতে হবে এবং যে দিন কাটা হবে তার পরবর্তী ১৫ কর্ম দিবসের মধ্যে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে । তা নাহলে ভ্যাট করতিপক্ষ জরিমানা হিসাবে ২% সুদ ধার্য করতে পারে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তন করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া না হলে কর্তনকারী ব্যক্তি, জমাদানের দায়েত্ত থাকা ব্যক্তি এবং উক্ত কম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রত্যেককেই আলাদা আলাদা ভাবে অনধিক ২৫,০০০ টাকা ব্যক্তিগত জরিমানা আরোপ করা হতে পারে ।
যে সকল আয়ের উপর কর দিতে হয়না
যে সকল আয়ের উপর কর দিতে হয়না / যে সকল আয় করদাতার মোট আয় গণনায় অন্তর্ভুক্ত হয় না ?
১) ট্রাসটি বার্ডের অধিনে থাকা কোন ধর্মীয় ও দাতব্য প্রতিস্তানের বাড়ি ভাড়া বাবদ প্রাপ্ত আয়।
২) এনজিও বোর্ডের অধিনে নিবন্ধিত ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোন প্রতিস্তানের সার্ভিস চার্জ বাবদ প্রাপ্ত আয়।
৩) স্থানীয় সরকারের আয় ।
৪) পেনশন ফান্ড, আনুতোষিক ফান্ডের অর্থ প্রাপ্তি।
৫) অনুমোদিত প্রভিডেন্ড ফান্ড, সুপার আনুয়েসন ফান্ড, ওয়ার্কার্স পার্টিসিপেশন ফান্ডের অর্থ প্রাপ্তি ।
৬) প্রভিডেন্ড ফান্ড আইন ১৯২৫ অনুযায়ী গঠিত কোন প্রভিডেন্দ ফান্ড হতে প্রাপ্ত আয় ।
৭) অনুমোদিত প্রভিডেন্ড ফান্ড, সুপার আনুয়েসন ফান্ড, পেনশন ফান্ড ও আনুতোষিক ফান্ড হতে হতে প্রাপ্ত আয়
৮) শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে ওয়ার্কার্স পার্টিসিপেশন ফান্ড হতে প্রাপ্ত যেকোন আয় ।
৯) অনুমোদিত প্রভিডেন্ড ফান্ড হতে হতে প্রাপ্ত যাহার পরিমান মোট বেতনের ১/৩ অংশের বেশি নয় ।
১০) সেচ্ছাই অবসর গ্রহনের সময় সরকারি কর্মচারীগন সরকার অনুমদিত কোন ফান্ড হতে প্রাপ্ত অর্থ ।
১১) অফিসের দায়িত্ব পালনের জন্য কোন বিশেষ ভাতা বা সুবিধা প্রাপ্তি যাহা খরচের উদ্দেশে প্রদান করা হয় ।
১২) ডিভিডেন্ড আয় ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ।
১৩) ইউনিট ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ড হতে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিভিডেন্ড আয় ।
১৪) সরকারি সিকিউরিটি হতে সুদ প্রাপ্তি যেটার উপর কর দিতে হবেনা বলে পূর্বেই ঘোষণা করা আছে ।
১৫) সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে সর্বমোট ৫০০,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সাভিং সার্টিফিকেট ও ওয়েজেস আর্নার বন্ড হতে প্রাপ্ত সুদ ।
১৬) কোন বেক্তির কোন জিরো কুপন বন্ড হতে প্রাপ্ত আয় যাহা বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি হতে অনুমদিত ।
১৭) অ নিবাসী করদাতাদের তালিকভুক্ত কম্পানির শেয়ার হস্তান্তর জনিত মূলধনী আয়।
১৮) ০৩ পার্বত্য জেলায় বসবাসকারী আদিবাসীগণের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত আয়।
১৯) শুধুমাত্র কৃষি খাতে আছে আয় এমন বেক্তি করদাতার কৃষি খাতের আয় ২০০,০০০ টাকা পর্যনত ।
২০) বাংলাদেশের কোন নাগরিকের বিদেশে অর্জিত আয় যাহা দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে বৈদেশিক মুদ্রায় আনিত হলে ।
২১) ২০০৮ সাল হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ITES ও NTTN ব্যবসায় হতে প্রাপ্ত আয় ।
২২) ২০০৮ সাল হতে ২০১৯ পর্যন্ত হস্তশিল্প রফতানি হতে উদ্ভূত আয় ।
২৩) কৃষি কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষা কার্যক্রম হতে উদ্ভূত আয় ।
২৪) যেকোনো পণ্য উৎপাদনে জড়িত এমন এস’এম’ই বিজনেস যাহার বার্ষিক টার্নওভার ৩০,০০,০০০ টাঁকার অধিক নয় ।
২৫) শর্ত সাপেক্ষে পোল্ট্রি শিল্প, সিনেমা হল/সিনেপ্লেক্স, রাইস ব্রাইন অয়েল, কর্ণ/সুগার বিট ইত্যাদি শিল্প হতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত আয় ।
২৬) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এ অনুদান প্রদান (শর্ত সাপেক্ষ) ।
২৭) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অনুমদন প্রাপ্ত কোন মহিলা স্কুল, মহিলা কলেজ, ভকেশনাল ও কারিগরি ট্রেনি ইন্সিটিউটে ক্রস চেকের মাধ্যমে প্রদত্ত অনুদান।
২৮) জাতীয় পর্যায়ের কৃষি, বিজ্ঞান, শিল্প প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিস্তানে ক্রস চেকের মাধ্যমে প্রদত্ত অনুদান ।
২৯) অন্যান্য
২) এনজিও বোর্ডের অধিনে নিবন্ধিত ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোন প্রতিস্তানের সার্ভিস চার্জ বাবদ প্রাপ্ত আয়।
৩) স্থানীয় সরকারের আয় ।
৪) পেনশন ফান্ড, আনুতোষিক ফান্ডের অর্থ প্রাপ্তি।
৫) অনুমোদিত প্রভিডেন্ড ফান্ড, সুপার আনুয়েসন ফান্ড, ওয়ার্কার্স পার্টিসিপেশন ফান্ডের অর্থ প্রাপ্তি ।
৬) প্রভিডেন্ড ফান্ড আইন ১৯২৫ অনুযায়ী গঠিত কোন প্রভিডেন্দ ফান্ড হতে প্রাপ্ত আয় ।
৭) অনুমোদিত প্রভিডেন্ড ফান্ড, সুপার আনুয়েসন ফান্ড, পেনশন ফান্ড ও আনুতোষিক ফান্ড হতে হতে প্রাপ্ত আয়
৮) শ্রম আইন ২০০৬ অনুসারে ওয়ার্কার্স পার্টিসিপেশন ফান্ড হতে প্রাপ্ত যেকোন আয় ।
৯) অনুমোদিত প্রভিডেন্ড ফান্ড হতে হতে প্রাপ্ত যাহার পরিমান মোট বেতনের ১/৩ অংশের বেশি নয় ।
১০) সেচ্ছাই অবসর গ্রহনের সময় সরকারি কর্মচারীগন সরকার অনুমদিত কোন ফান্ড হতে প্রাপ্ত অর্থ ।
১১) অফিসের দায়িত্ব পালনের জন্য কোন বিশেষ ভাতা বা সুবিধা প্রাপ্তি যাহা খরচের উদ্দেশে প্রদান করা হয় ।
১২) ডিভিডেন্ড আয় ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ।
১৩) ইউনিট ফান্ড, মিউচুয়াল ফান্ড হতে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ডিভিডেন্ড আয় ।
১৪) সরকারি সিকিউরিটি হতে সুদ প্রাপ্তি যেটার উপর কর দিতে হবেনা বলে পূর্বেই ঘোষণা করা আছে ।
১৫) সংশ্লিষ্ট আয়বর্ষে সর্বমোট ৫০০,০০০ টাকা পর্যন্ত পেনশনার সাভিং সার্টিফিকেট ও ওয়েজেস আর্নার বন্ড হতে প্রাপ্ত সুদ ।
১৬) কোন বেক্তির কোন জিরো কুপন বন্ড হতে প্রাপ্ত আয় যাহা বাংলাদেশ ব্যাংক ও এসইসি হতে অনুমদিত ।
১৭) অ নিবাসী করদাতাদের তালিকভুক্ত কম্পানির শেয়ার হস্তান্তর জনিত মূলধনী আয়।
১৮) ০৩ পার্বত্য জেলায় বসবাসকারী আদিবাসীগণের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে অর্জিত আয়।
১৯) শুধুমাত্র কৃষি খাতে আছে আয় এমন বেক্তি করদাতার কৃষি খাতের আয় ২০০,০০০ টাকা পর্যনত ।
২০) বাংলাদেশের কোন নাগরিকের বিদেশে অর্জিত আয় যাহা দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে বৈদেশিক মুদ্রায় আনিত হলে ।
২১) ২০০৮ সাল হতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ITES ও NTTN ব্যবসায় হতে প্রাপ্ত আয় ।
২২) ২০০৮ সাল হতে ২০১৯ পর্যন্ত হস্তশিল্প রফতানি হতে উদ্ভূত আয় ।
২৩) কৃষি কলেজ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষা কার্যক্রম হতে উদ্ভূত আয় ।
২৪) যেকোনো পণ্য উৎপাদনে জড়িত এমন এস’এম’ই বিজনেস যাহার বার্ষিক টার্নওভার ৩০,০০,০০০ টাঁকার অধিক নয় ।
২৫) শর্ত সাপেক্ষে পোল্ট্রি শিল্প, সিনেমা হল/সিনেপ্লেক্স, রাইস ব্রাইন অয়েল, কর্ণ/সুগার বিট ইত্যাদি শিল্প হতে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত আয় ।
২৬) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট এ অনুদান প্রদান (শর্ত সাপেক্ষ) ।
২৭) শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের অনুমদন প্রাপ্ত কোন মহিলা স্কুল, মহিলা কলেজ, ভকেশনাল ও কারিগরি ট্রেনি ইন্সিটিউটে ক্রস চেকের মাধ্যমে প্রদত্ত অনুদান।
২৮) জাতীয় পর্যায়ের কৃষি, বিজ্ঞান, শিল্প প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিস্তানে ক্রস চেকের মাধ্যমে প্রদত্ত অনুদান ।
২৯) অন্যান্য
Friday, February 5, 2016
Thursday, February 4, 2016
Tax return online from July
Tax return online from July
The National Board of Revenue (NBR) is preparing to have income tax returns and statement filed online from July. The programme ‘Distribution and installation of computers and devices’ at the NBR’s 649 offices was inaugurated by State Minister for Finance MA Mannan on Tuesday.
Subscribe to:
Posts (Atom)





