Tuesday, February 9, 2016

সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি (ধারা ৮২বিবি) কর নির্ধারণ পদ্ধতি:

সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি (ধারা ৮২বিবি) কর নির্ধারণ পদ্ধতি:
আয়কর নির্ধারণের বহুল ও জনপ্রিয় পদ্ধতি হল সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি পদ্ধতি । এই পদ্ধতিতে করদাতা নিজেই তার আয়কর রিটার্ন তৈরি ও কর নির্ধারণ করে থাকে। উপ কর কমিশনারকে কোন কর নিরধারন করতে হয়না, তিনি নিজে অথবা তার অনুমদিত কেউ শুধু এই রিটার্ন জমা নিয়ে থাকে । এটা অন লাইনেও জমা দেয়া যায় । এই রিটার্ন জমা দেবার পরে যে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ইস্যু করা হয় তাহাই ওই করদাতার উক্ত বসরের চূড়ান্ত কর নিরধারনি আদেশ হিসাবে গণ্য হয়। তবে, ওই রিটার্ন প্রাপ্তির পরে কর করতিপক্ষ উক্ত রিটার্নে আয় গননা, কর নিরধারন, কর রেয়াত ইত্যাদি নিরধারনে কোন গাণিতিক ভুল ত্রুটি হয়েছে কিনা তা যাচাই করবে এবং ভুল ধরা পরলে নতুন ভাবে তার আয় ও কর গননা করে ৩০ দিনের মধ্যে করদাতা বরাবর ডিমান্ড নোটিশ ইস্যু করবে ।
সার্বজনীন স্ব-নিরধারনি রিটার্ন এ নীচের বিষয়গুলো থাকতে হবেঃ
১) ওই রিটার্নটি নির্ধারিত ফরমে সঠিক তথ্য দ্বারা যথাযথ ভাবে পূরণ করা থাকতে হবে।
২) সঠিক ব্যক্তির দ্বারা যাচাই ও স্বাক্ষর করা থাকতে হবে।
৩) ওই রিটার্নটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র সহ জমা দেয়া থাকতে হবে।
৪) রিটার্ন অনুযায়ি নির্ধারিত ট্যাক্স জমাদেয়া থাকতে হবে ।
৫) রিটার্নে ১২ ডিজিটের টি আই এন নম্বর থাকতে হবে।
তবে, উক্ত রিটার্ন এর মধ্যে থেকে প্রতি বৎসর বোর্ডের নির্ধারিত নির্দেশনার আলোকে (যেমনঃ আয় ও ব্যয়ের সামঞ্জস্য না থাকলে, যেকোনো দাবীর সমর্থনে কাগজপত্র সংযুক্ত করা না থাকলে, ভুল তথ্য বা রিটার্নটি সঠিক ভাবে পুরন করা না হলে ইত্যাদি কারনে) কিছু রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচিত হতে পারে, যে গুলো পরবর্তীতে ধারা ৮৩ বা ধারা ৮৪ অনুযায়ি পুনরাই কর নির্ধারণ করা হবে ।

No comments:

Post a Comment